Showing posts with label Marketing. Show all posts
Showing posts with label Marketing. Show all posts

Monday, 1 July 2013

বাজারজাতকরণে দরকারী পাঁচ ধাপ

প্রতিষ্ঠানের দূর্বলতা খুঁজে বের করা এবং সেই অনুপাতে পণ্যের মার্কেটিং করাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য থাকে। ব্যবসা পরিকল্পনার মধ্যে বাজারজাতকরণ একটি বড় অংশ। দিন দিন পণ্যের মানে যেমন পরিবর্তন আসছে তেমনি গ্রাহকের মধ্যেও ভিন্নতা আসছ। সঠিক মার্কেটিং সকল গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের একটি নিজস্ব মার্কেটিং পলিসি থাকে। যাকে আমরা স্মার্ট মার্কেটিংও বলতে পারি। স্মার্ট মার্কেটিং একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নিশ্চিত করে। ডাইরেক্ট মার্কেটিং, এডভাটাইসিং, টেলিমার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং, শেয়ার মার্কেটিং, ব্রান্ডিং এরকম আরো অনেক বিষয় নিয়ে মার্কেটিং সম্পূর্ণ হয়।

মার্কেটিংয়ের বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে তবেই কিন্তু একটি কার্যকরী মার্কেটিং প্লান হাতে নেওয়া যায়। এই পর্যবেক্ষণের কয়েকটি ধাপ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে:-

অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ:
প্রতি প্রতিষ্ঠানেরই তার মৌলিক এবং নিজস্ব মার্কেটিং পলিসি থাকে। প্রথমত প্রাতিষ্ঠানিক এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা ও দূর্বলতার দিকগুলো খুঁজে বের করে একটা তালিকা তৈরি করো। পর্যায়ক্রমে সেই তালিকা থেকে দূর্বলতার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে একটি সম্পূর্ণ কার্যকর মার্কেটিং পলিসি দাড় করানো যেতে পারে। এতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয় বলে মার্কেটিং পলিসি নিখুঁত হয়।

বাহ্যিক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ:
গ্রাহকের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। কার্যক্ষেত্র বা মার্কেটপ্লেসের পরিবেশ অনুধাবন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহক কোন পণ্যে আকৃষ্ট, কি সেবা পেতে চায় তার উপর মার্কেটিং নির্ভর করে। গ্রাহক সেবা,টার্গেট মার্কেট, মার্কেটিং স্টাফ, মার্কেটিং মাধ্যম নির্ধারণ করে আর একটি বড় তালিকা তৈরি করে সেই অনুপাতে মার্কেটিং পলিসি ব্যবহার করতে হবে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনা:
বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ দুই তালিকার বিষয়গুলোর সমন্বয় দরকার হতে পারে। এই অসুবিধাগুলো নির্ধারণ করে একটি নতুন তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। এতে একটি সময়সীমা নির্ধারণ সহজ হবে।

বাজারজাতকরণ পূণর্বিবেচনা:
বাজারজাতরকর প্রয়োগ করায় কার্যক্ষেত্রে বাজারে তার কি ধরণের প্রভাব পড়ল তা জানা জরুরী। আয় ব্যয় পরিসংখ্যান, অর্জিত সাফল্য ব্যর্থতা, গ্রাহক এবং মার্কেটিং স্টাফদের সমসাময়িক অবস্থা সবকিছুর নিখুঁত পর্যালোচনা করে একটি গঠনমূলক মার্কেটিং পরিকল্পনা চুড়ান্ত করে আবার কাজে নেমে পড়তে হবে।

প্রয়োজনে বাজারজাতকরণ নীতি পরিবর্তন:
অনেক সময় অনেক পরিকল্পনা কজে নাও লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো পরিবর্তন করা দরকার। অনেকসময় মাঝ পথে এসেও থামিয়ো দিতে হবে আপনার কার্যক্রম। মনে রাখবেন আপনি গ্রাহক নিয়ে ব্যবসা করছেন। মার্কেটিং নীতি সর্বদা তাদের দিকে নজর দিয়ে বানাতে হবে।

Thursday, 27 June 2013

বাজারজাতকরণে দরকারী পাঁচ ধাপ | প্রিয় ফিনান্স

প্রতিষ্ঠানের দূর্বলতা খুঁজে বের করা এবং সেই অনুপাতে পণ্যের মার্কেটিং করাই প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য থাকে। ব্যবসা পরিকল্পনার মধ্যে বাজারজাতকরণ একটি বড় অংশ। দিন দিন পণ্যের মানে যেমন পরিবর্তন আসছে তেমনি গ্রাহকের মধ্যেও ভিন্নতা আসছ। সঠিক মার্কেটিং সকল গ্রাহকের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করে। প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানের একটি নিজস্ব মার্কেটিং পলিসি থাকে। যাকে আমরা স্মার্ট মার্কেটিংও বলতে পারি। স্মার্ট মার্কেটিং একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য নিশ্চিত করে। ডাইরেক্ট মার্কেটিং, এডভাটাইসিং, টেলিমার্কেটিং, অনলাইন মার্কেটিং, শেয়ার মার্কেটিং, ব্রান্ডিং এরকম আরো অনেক বিষয় নিয়ে মার্কেটিং সম্পূর্ণ হয়।

মার্কেটিংয়ের বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে তবেই কিন্তু একটি কার্যকরী মার্কেটিং প্লান হাতে নেওয়া যায়। এই পর্যবেক্ষণের কয়েকটি ধাপ রয়েছে। সেগুলো হচ্ছে:-

অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ:
প্রতি প্রতিষ্ঠানেরই তার মৌলিক এবং নিজস্ব মার্কেটিং পলিসি থাকে। প্রথমত প্রাতিষ্ঠানিক এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা ও দূর্বলতার দিকগুলো খুঁজে বের করে একটা তালিকা তৈরি করো। পর্যায়ক্রমে সেই তালিকা থেকে দূর্বলতার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে একটি সম্পূর্ণ কার্যকর মার্কেটিং পলিসি দাড় করানো যেতে পারে। এতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেওয়া হয় বলে মার্কেটিং পলিসি নিখুঁত হয়।

বাহ্যিক বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ:
গ্রাহকের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়। কার্যক্ষেত্র বা মার্কেটপ্লেসের পরিবেশ অনুধাবন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গ্রাহক কোন পণ্যে আকৃষ্ট, কি সেবা পেতে চায় তার উপর মার্কেটিং নির্ভর করে। গ্রাহক সেবা,টার্গেট মার্কেট, মার্কেটিং স্টাফ, মার্কেটিং মাধ্যম নির্ধারণ করে আর একটি বড় তালিকা তৈরি করে সেই অনুপাতে মার্কেটিং পলিসি ব্যবহার করতে হবে।

পরিসংখ্যান পর্যালোচনা:
বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ দুই তালিকার বিষয়গুলোর সমন্বয় দরকার হতে পারে। এই অসুবিধাগুলো নির্ধারণ করে একটি নতুন তালিকা তৈরি করা যেতে পারে। এতে একটি সময়সীমা নির্ধারণ সহজ হবে।

বাজারজাতকরণ পূণর্বিবেচনা:
বাজারজাতরকর প্রয়োগ করায় কার্যক্ষেত্রে বাজারে তার কি ধরণের প্রভাব পড়ল তা জানা জরুরী। আয় ব্যয় পরিসংখ্যান, অর্জিত সাফল্য ব্যর্থতা, গ্রাহক এবং মার্কেটিং স্টাফদের সমসাময়িক অবস্থা সবকিছুর নিখুঁত পর্যালোচনা করে একটি গঠনমূলক মার্কেটিং পরিকল্পনা চুড়ান্ত করে আবার কাজে নেমে পড়তে হবে।

প্রয়োজনে বাজারজাতকরণ নীতি পরিবর্তন:
অনেক সময় অনেক পরিকল্পনা কজে নাও লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে এই বিষয়গুলো পরিবর্তন করা দরকার। অনেকসময় মাঝ পথে এসেও থামিয়ো দিতে হবে আপনার কার্যক্রম। মনে রাখবেন আপনি গ্রাহক নিয়ে ব্যবসা করছেন। মার্কেটিং নীতি সর্বদা তাদের দিকে নজর দিয়ে বানাতে হবে।