Tuesday, 17 March 2015

আয়াতুল কুরসী পড়ার ফযীলত

১) উবাই ইবনে কা’ব (রাঃ) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘হে আবূ মুনযির! তুমি কি জান,মহান আল্লাহর গ্রন্থ (আল-কুরাআন) এর ভিতর তমার যা মুখস্থ আছে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় (মর্যাদাপূর্ণ) আয়াত কোনটি?’ আমি বললাম, ‘সেটা হচ্ছে আয়াতুল কুরসী।’ সুতরাং তিনি আমার বুকে চাপড় মেরে বললেন, ‘আবুল মুনযির! তোমার জ্ঞান তোমাকে ধন্য করুক’। (মুসলিম ৮১০)

(অর্থাৎ তুমি, নিজ জ্ঞানের বর্কতে উক্ত আয়াতটির সন্ধান পেয়েছ, সে জন্য তোমাকে ধন্যবাদ।)

২) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বললেন (একবার) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে রমযানের জাকাত(ফিৎরার মাল-ধন) দেখাশোনা করার দায়িত্ব দেন। বস্তুতঃ ( আমি পাহারা দিচ্ছিলাম ইত্যবসরে) একজন আগমনকারী এসে আজঁলা ভরে খাদ্যবস্তু নিতে লাগল। আমি তাকে ধরলাম এবং বললাম, ‘তোকে অবশ্যই রাসূলুল্লাহ (সাঃ) –এর কাছে পেশ করব।’ সে আবেদন করল,আমি একজন সত্যিকারের অভাবী। পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব আমার উপর, আমার দারুন অভাব।’ কাজেই আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

সকালে (রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নিকট হাযির হলাম) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, ‘হে আবূ হুরাইরা! গত রাতে তোমার বন্দী কী আচারন করেছে’? আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সে তার অভাব ও (অসহায়) পরিবার-সন্তানের অভিযোগ জানাল। সুতরাং তার প্রতি আমার দয়া হলে আমি তাকে ছেরে দিলাম ।’ তিনি বললেন, ‘ সতর্ক থেকো, সে আবার আসবে’।

আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর আনুরুপ উক্তি শুনে সুনিশ্চিত হলাম যে, সে আবার আসবে। কাজেই আমি তার প্রতীক্ষায় থাকলাম। সে (পুর্ববৎ) এসে আজঁলা ভরে খাদ্যবস্তু নিতে লাগল। আমি বললাম, ‘অবশ্যই তোকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) –এর কাছে পেশ করব ।’ সে বলল, ‘আমি অভাবী,পরিবারের  দায়ত্ব আমার উপর, (আমাকে ছেড়ে দাও) আমি আর আসব না ।’সুতরাং আমার মনে দয়া হল। আমি তাকে ছেড়ে দিলাম।

সকালে উঠে (যখন রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে গেলাম তখন) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) আমাকে বললেন, ‘‘আবূ হুরাইরা! গত রাতে তোমার বন্দী কী আচারন করেছে’? আমি বললাম, ‘ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাঃ)! সে তার অভাব ও অসহায় সন্তানের-পরিবারের অভিযোগ জানাল। সুতরাং আমার মনে দয়া হলে আমি তাকে ছেরে দিলাম’। তিনি বললেন, ‘ সতর্ক থেকো, সে আবার আসবে’।

সুতরাং তৃতীয়বার তার প্রতীক্ষায় রইলাম। সে (এসে)আজঁলা ভরে খাদ্যবস্তু নিতে লাগল। আমি তাকে ধরে বললাম ‘‘এবারে তোকে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) –এর দরবারে হাযির করবই।’ এটা তিনবারের মধ্যে শেষবার । ‘ফিরে আসবো না’ বলে তুই আবার ফিরে এসেছিস ।’’ সে বলল ‘তুমি আমাকে ছেড়ে দাও, আমি তোমাকে এমন কতকগুলি শব্দ শিখিয়ে দেব, যার দ্বারা আল্লাহ তোমার উপকার করবেন ।’ আমি বললাম ‘সেগুলি কী?’ সে বলল, ‘যখন তুমি (ঘুমাবার জন্য) বিছানাই যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পাঠ ক’রে (ঘুমাবে) তাহলে তোমার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত হবে। আর সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে শয়তান আসতে পারবে না’।

সুতরাং আমি তাকে ছেড়ে দিলাম। আবার সকালে (রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর কাছে গেলাম) তিনি আমাকে বললেন, ‘‘তোমার বন্দী কী আচারন করেছে?’’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সে বলল, ‘‘ আমি তোমাকে এমন কতিপয় শব্দ শিখিয়ে দেব, যার দ্বারা আল্লাহ আমার কল্যাণ করবেন ।’’ বিধায় আমি তাকে ছেড়ে দিলাম  তিনি বললেন ‘‘সে শব্দগুলি কী?’’ আমি বললাম, ‘সে আমাকে বলল, ‘‘যখন তুমি বিছানাই (শোয়ার জন্য) যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ‘আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম’ পড়ে নেবে ।’’সে আমাকে আর বলল, “তার কারনে আল্লাহর তরফ থেকে সর্বদা তোমার জন্য একজন রক্ষক নিযুক্ত থাকবে। আর সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে শয়তান আসতে পারবে না’’।

(এ কথা শুনে) তিনি (সাঃ) বললেন, ‘‘শোনো ! সে নিজে ভীষণ মিথ্যাবাদী; কিন্তু তোমাকে সত্য কথা বলেছে। হে আবূ হুরাইরা! তুমি জান, তিন রাত ধরে তুমি কার সাথে কথা বলছিলে?’’ আমি বললাম, ‘জী না ।’ তিনি বললেন, ‘‘সে ছিল শয়তান’’। (সহীহুল বুখারী ২৩১১)


[] আয়াতুল কুরসী পাঠের ফযীলত []

আয়াতুল কুরসী ( আরবি ভাষায়: آية الكرسي ) হচ্ছে পবিত্র কোরআন শরীফের দ্বিতীয় সুরা আল বাকারার ২৫৫তম আয়াতটি। এটি কোরআন শরীফের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আয়াত। এতে সমগ্র মহাবিশ্বের উপর আল্লাহর জোরালো ক্ষমতার কথা বর্ণনা করে।

আয়াতুল কুরসী :
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বইয়্যুমু লা তা খুজুহু সিনাত্যু ওয়ালা নাউম। লাহু মা ফিছছামা ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্। মান যাল্লাযী ইয়াস ফায়ু ইন দাহু ইল্লা বি ইজনিহি ইয়া লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খল ফাহুম ওয়ালা ইউ হিতুনা বিশাই ইম্ মিন ইল্ মিহি ইল্লা বিমা সাআ ওয়াসিয়া কুরসিইউ হুস ছামা ওয়াতি ওয়াল আরদ্ ওয়ালা ইয়া উদুহু হিফজুহুমা ওয়াহুয়াল আলিয়্যূল আজীম।

বাংলা অনুবাদ :
আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়। আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া? দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না, কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়। তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান। [২:২৫৫][১]


আবূ উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: আল্লাহর রাসূল বলেছেন: “যে ব্যক্তি প্রতি ফরয নামায শেষে আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া কোন কিছু বাধা হবে না। (সহীহ আল্ জামে :৬৪৬৪) হজরত আলী (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহকে (সা.) বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাত প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার ঘরে, প্রতিবেশীর ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। (সুনানে বাইহাকী )

যে ব্যক্তি উক্ত আয়াত রাতে পাঠ করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার সাথে একজন রক্ষণা বেক্ষণকারী ফেরেশতা নিযুক্ত থাকবেন এবং সকাল র্পযন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারেনা কারণ, শয়তান ওয়াদা করেছে যে, যে ব্যাক্তি আয়াতুল কুরছি পড়বে আমি তার কাছে যাব না।

শুক্রবার আছরের নামাযের পর নির্জন স্থানে বসে এই আয়াত ৭ বার পাঠ করলে মনে এক আশ্চর্যভাবের উদয় হয় এ ঔ সময় পাঠকারীর দোয়া কবুল হয়।

হযরত আবু হুরাইরা থেকে বর্ণিত :রাসুল (সা.) বলেছেন:সুরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, যে ঘরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে। (মুসতাদরাকে হাকিম:২১০৩)

Tuesday, 15 October 2013

পেনড্রাইভের সাহায্যে উইন্ডোজ ইনস্টল

ইউএসবি পেনড্রাইভকে বুটেবল করে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা খুবই সহজ। ডিভিডি রম-সুবিধা না থাকলে বা কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে বুটেবল পেনড্রাইভ একটি ভালো সমাধান। কমপক্ষে ৪ গিগাবাইট অথবা তার চেয়ে অধিক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটা পেনড্রাইভ হলেই চলবে। এটি করতে উইন্ডোজের স্টার্ট বাটনে ক্লিক করার পর সার্চ বক্সে cmd লিখলে যে প্রোগ্রামটি আসবে, তাতে রাইট বাটন ক্লিক করে Run as administrator হিসেবে ওপেন করুন, ইউজার অ্যাকাউন্ট কন্ট্রোল ডায়ালগ বক্স এলে ইয়েস চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পট উইন্ডো চালু হলে তাতে diskpart লিখে এন্টার চাপুন। ডিস্কপার্ট অবস্থায় এলে list disk লিখে এন্টার চাপলে আপনার সিস্টেমে যেসব ড্রাইভ সংযুক্ত আছে, তার লিস্ট ও পাশেই সাইজ দেখাবে। এখানে একটা বিষয় ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত আপনার হার্ডডিস্ক হবে Disk 0, যার সাইজ গিগাবাইটে দেওয়া আছে। নিচেই পাবেন আপনার পেনড্রাইভ Disk 1 অথবা Disk 2 এ রকম, যার সাইজ মেগাবাইট আকারে পাবেন। এখান থেকে আপনার পেনড্রাইভটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। Disk 1 আপনার পেনড্রাইভ হলে select disk 1 অথবা Disk 2 হলে select disk 2 লিখে এন্টার চাপুন। এরপর clean লিখে এন্টার চাপতে হবে। তারপর create partition primary লিখে এন্টার চাপলে পার্টিশন তৈরি হবে। এবার ড্রাইভটি ফরমেট করতে হবে। লিখুন format fs=ntfs quick এবং এন্টার চাপুন। ফরমেট হতে সামান্য একটু সময় নেবে। এটাই শেষ ধাপ। active লিখে এন্টার চাপুন। তারপর exit লিখে বের হয়ে আসুন। বুটেবল পেনড্রাইভ তৈরি হয়ে গেল। এখন উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের ভিডিডি (Windows Vista, 7, 8 অথবা 8.1) থেকে সব ফাইল কপি করে পেনড্রাইভে পেস্ট করে দিন। ইমেজ ফাইল বা ISO ফাইল থাকলে সেটাকে উইনরার, উইনজিপ অথবা সেভেন-জিপ—যেকোনো একটা দিয়ে এক্সট্রাক্ট করে পেনড্রাইভে কপি করতে হবে। যে কম্পিউটারে ওএস ইনস্টল করতে হবে, তাতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করিয়ে মেশিন চালু করে বুট মেন্যু থেকে পেনড্রাইভ বা রিম্যুভেবল ডিস্ক নির্বাচন করে দিন। উইন্ডোজ ইনস্টলেশন শুরু হয়ে যাবে।—মঈন চৌধুরী, ঢাকা

Saturday, 12 October 2013

রাজনীতি শুধু রাজনীতিকদেরই ভাগ্যোন্নয়ন করেছে: এরশাদ

রাজনীতি শুধু রাজনীতিবিদদেরই ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছে মন্তব্য করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, “দেশের তরুণ সমাজের জন্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই রাজনীতি কিছুই দিতে পারেনি। জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে পারেননি। রাজনীতিকরা  তাদের নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন।”

শনিবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্ট বার মিলনায়তনে সার্ক কালচারাল সোসাইটির আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এরশাদ আরো বলেন, “আমার ভাবতে অবাক লাগে, ভারত ও পাকিস্তানের বৈরী সম্পর্কের ভেতরেও তারা এক টেবিলে বসতে পারলেও আমাদের দেশের দুই নেত্রীকে এক টেবিলে বসানো যায় না।”

দেশের সামাজিক অবক্ষয়ের কথা তুলে ধরে এরশাদ বলেন, দেশ আজকে কেথায় যাচ্ছে। রাজনীতি ব্যর্থ হয়েছে বলে সমাজ ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সিসা, ইয়াবা ও  ফেন্সিডিল  কোথা থেকে এলো।

তিনি বলেন, আমরা দিক হারিয়ে ফেলেছি। ছেলে মেয়ের এক সঙ্গে সিসা খাওয়া দেখে গা শিউরে ওঠে। সিসা খাওয়া আমাদের কালচার নয়। সিসা খাওয়া আধুনিকতা নয়। আমাদের সন্তানরা অপসংস্কৃতিতে জড়িয়ে পড়ছে। এখান থেকে রক্ষা করতে হবে।


জাপার চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের সন্তানরা অপসংস্কৃতিতে জড়িয়ে পড়ছে। সেখান থেকে তাদের রক্ষা করতে হবে। অপসংস্কৃতির কারণে ‘মুন্নি বদনাম হুয়ি ডালিং/তেরে লিয়ে, গান সমাজে ছড়িয়ে পড়ছে। অথচ আমাদের সংস্কৃতির চেয়ে বড় সংস্কৃতি নেই পৃথিবীতে।

এরশাদ বলেন, আমরা নজরুলের গান শুনি না। নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, শামসুর রাহমানকে বাঁচিয়ে রাখুন। না হলে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সোনারগাঁ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আলী আকবর প্রমুখ।

এমএলএম আইন-২০১৩ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত

প্রশাসক নিয়োগসহ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধান রেখে 'মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কার্যক্রম (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩'-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আইনটি জনগুরুত্বসম্পন্ন ও জরুরি বিধায় একই সঙ্গে এটি অধ্যাদেশ আকারে জারিরও অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানান, দেশে বিদ্যমান এমএলএম কোম্পানিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং এদের প্রতারণার হাত থেকে জনগণকে রক্ষার জন্য এ আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। এমএলএম কোম্পানিগুলো ইলেকট্রনিক ও গৃহস্থালি পণ্যের ব্যবসা করতে পারবে। যেমন ইলেকট্রিক অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস, প্রসাধন সামগ্রী, টেলিকমিউনিকেশন সামগ্রী ও কৃষিজাত পণ্যসহ ৬ ধরনের পণ্য এর আওতায় আসবে। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিদ্যমান এমএলএম কোম্পানিগুলোকে বন্ধ করা হবে না, তবে তাদেরকে অধ্যাদেশ জারির ৯০ দিনের মধ্যে লাইসেন্স নিতে হবে। লাইসেন্স ছাড়া কেউ এ ব্যবসা করতে পারবে না এবং অনুমতি ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর করা যাবে না। লাইসেন্সের মেয়াদ ১ বছর হবে এবং পরে কোম্পানিগুলো চাইলে নবায়ন করতে পারবে। তবে আইনের শর্ত ভঙ্গ করলে সরকার কোম্পানির লাইসেন্স স্থগিত বা বাতিল করতে পারবে। লাইসেন্স নবায়ন না করলে কোম্পানি বন্ধ করে দেয়া হবে। এছাড়া কোম্পানি আইনে কোম্পানি গঠন করতে হবে এমএলএম কোম্পানিগুলোকে। এমএলএম কোম্পানিগুলো যেসব পণ্য কেনাবেচা করতে পারবে সেগুলো হচ্ছে_ গৃহস্থালি, ইলেকট্রনিক, প্রসাধনী, হারবাল, টেলিযোগাযোগ, ট্রয়লেট্রিজ, সেবা, প্রশিক্ষণ ও কৃষিজাত পণ্য ইত্যাদি।
প্রস্তাবিত আইনে আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে সাজার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে উল্লেখ করে সচিব বলেন, লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা করলে ৫ থেকে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদ-। অনুমতি ছাড়া লাইসেন্স হস্তান্তর করলে ১ থেকে ২ বছর কারাদ- এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা, বিদ্যমান এমএলএম কোম্পানিগুলো লাইসেন্স না নিলে ৬ থেকে ১০ বছরের জেল এবং ৫০ লাখ টাকা জরিমানা। প্যাকেজিংয়ের বিধান লঙ্ঘন করলে ১ থেকে ২ বছরের জেল এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা। মোড়কে লিখিত মূল্যের অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রয় করলে ১ থেকে ৩ বছরের জেল এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা। অযৌক্তিক মূল্য আদায় করলে ১ থেকে ৩ বছরের জেল এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা, নিম্নমানের পণ্যের জন্য ২ থেকে ৫ বছরের জেল এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা, ক্রেতার অনুমতি না নিয়ে তার বাড়িতে যাওয়া কিংবা জোরপূর্বক পণ্য বিক্রি করলে ৬ মাস থেকে ১ বছরের জেল এবং ১ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া টার্গেটকৃত ভোক্তা বা ক্রেতার অনুমতি ছাড়া কোনো এমএলএম কোম্পানির প্রতিনিধি যদি তার বাড়িতে গিয়ে পণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বসে থাকে তবে তার জন্যও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সর্বোচ্চ ৩ বছরের কারাদ- এবং এ আইনে উল্লেখ নেই এমন কোনো কার্যক্রম যদি অপরাধ বলে গণ্য হয় তবে সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে।
সচিব জানান, আইন অমান্যকারীদের বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করা যাবে এবং দ্বিতীয়বার আইন অমান্য করলে দ্বিগুণ শাস্তি হবে। ধাপে ধাপে শাস্তির পরিমাণও বাড়বে।
প্রশাসক নিয়োগ প্রসঙ্গে সচিব বলেন, কোম্পানি সরকারের কাছে অপরাধী বলে গণ্য হলে সরকার তার বোর্ড রহিত করে এক বা একাধিক প্রশাসক নিয়োগ দিতে পারবে।
সরকার যদি মনে করে, কোনো কোম্পানি আইন লঙ্ঘন করে সর্বসাধারণকে প্রতারিত করছে এবং জনস্বার্থে এ কোম্পানির কার্যক্রম বন্ধ করা দরকার তাহলে সরকার লিখিতভাবে কারণ দেখিয়ে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট এমএলএম কোম্পানির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব তথা এক বা একাধিক প্রশাসক নিয়োগ এবং পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে পারবে। প্রশাসক নিয়োগের চারটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- সরকার যদি মনে করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে কোনো কোম্পানি পরিচালিত হচ্ছে, কোম্পানির ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা প্রতারণা করলে, শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং জনস্বার্থে কোনো কোম্পানির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন মনে করলে।
সচিব জানান, এছাড়া মন্ত্রিসভায় 'ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন ২০১৩'-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন, 'তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০১৩'-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন এবং 'সার্ক এগ্রিমেন্ট অন ট্রেড ইন সার্ভিসেস'-এর আওতায় বাংলাদেশের 'শিডিউল অব স্পেসিফিক কমিটমেন্টস'-এর অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

Wednesday, 21 August 2013

অ্যাপল ব্যবহারকারীরা ঝুঁকছেন অ্যান্ড্রয়েডে |প্রথম আলো | ২১-০৮-২০১৩

বাড়ছে অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্মার্টফোনের ব্যবহারকারী। খবরটি অনেক দিন আগের হলেও সম্প্রতি জানা গেছে, অ্যাপলের আইওএস ব্যবহারকারীদের অনেকেই এখন অ্যান্ড্রয়েডে চলে যাচ্ছেন। অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে অ্যান্ড্রয়েড এবং মাইক্রোসফটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে পড়ছে অ্যাপল।সম্প্রতি কনজিউমার ইনটেলিজেন্স রিসার্চ পার্টনারস (সিআইআরপি) কর্তৃক প্রকাশিত এক তথ্যে জানা গেছে, গত বছর মোট আইফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে ২০ শতাংশ বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ব্যবহার করছেন। একই সময়ে ৭ শতাংশ ব্যবহারকারী অ্যান্ড্রয়েডচালিত স্যামসাং ছেড়ে অ্যাপলের আইফোন ব্যবহার করছেন। তবে শুরুতেই ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছে অ্যাপল। তথ্য অনুযায়ী স্যামসাং ব্যবহার করেন এমন প্রায় ৩৭ শতাংশ ব্যবহারকারীই আগে অ্যাপল অথবা অন্য ওএসের স্মার্টফোন ব্যবহার করেছেন।তবে স্মার্টফোন পছন্দের ক্ষেত্রে বড় একটি কারণ হচ্ছে, আগে থেকেই নির্দিষ্ট ওএসের সঙ্গে অভ্যস্ত থাকার বিষয়টি। সিআইআরপির তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪২ শতাংশ ব্যবহারকারী আগে থেকেই অ্যাপলের ওএস আইওএস ব্যবহার করতেন, পরে যাঁরা আইফোন নিয়েছেন। গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত স্মার্টফোন ক্রেতাদের ওপর পরিচালিত জরিপে এসব তথ্য পেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।জরিপে আরও জানা গেছে, স্যামসাংয়ের তুলনায় অ্যাপল ব্যবহারকারীরা উচ্চবিত্ত শ্রেণীর ও বেশি শিক্ষিত। আর প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্যবহারকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩৪-এর মধ্যে। তবে সামগ্রিক সুবিধার দিক দিয়ে অ্যাপলের স্মার্টফোনের বাজার কিছুটা কমেছে, যেখানে এগিয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ও উইন্ডোজচালিত স্মার্টফোন। —দ্য টেলিগ্রাফ

Friday, 16 August 2013

এসো মোমিন ভাই, কুর্মের গান গাই পীর চরমোনাইয়ের, ( ঊৎসর্গ এম, এম , নুর-হোসাইনি)


পীর ব্যবসা বাংলাদেশে জমজমাট অনেক আগে থেকেই। আগে ট্রেন বাস লঞ্চের গায়ে পোষ্টার দেখতাম এমুক /তেমুক পীরের উরস। আজকাল ব্লগে শুরু হইছে এই প্রচারনা। কোন কিছু জিজ্ঞাসাতে যখন বংশ কুলের হিসাব চাওয়া হয়!! তখন কি আর বসে থাকা যায়? তারপর আবার জ্ঞান বিতরন শুরু দোযখের ভয় দেখানো আর সেই পূরোনো বুলি নতুন রুপে। এম এম হোসাইনি অজ্ঞান না হয়ে থাকলে পোষ্টে আপনার সুরত দর্শনের আশায় থাকলাম।

১ম লিঙ্ক,http://www.amarblog.com/M-M-NOUR-HOSSAIN/posts/148573
২য় লিঙ্ক,http://www.amarblog.com/M-M-NOUR-HOSSAIN/posts/148522

শুরু করলাম- বিস্তারিত লিখতে গেলে পোষ্ট বড় হয়ে যায় তাই সংক্ষেপে,
চাদপুর জেলার ঊজানী এলাকার পীর মরহুম ক্বারি ইব্রাহিমের কাছ থেকে ১৯৪৬ সালে খেলাফত লাভ করেন মাওলানা এসহাক। এই মাওলানা এসহাক পরবর্তীতে মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, মাওলানা জহুরুল হক ও মাওলানা আব্দুল হাইসহ কয়েক জন সাগরেদ নিয়ে বরিশাল সদর থানার উত্তর পুর্বকোনে কীর্তনখোলা নদীর তীরে চর মোনাই দরবার গড়ে তূলেন। ১৯৭৩ সালের মৃত্যুও আগ পর্্যমন্ত অনেক ভক্ত-আশেকান সৃষ্টির মাধ্যমের পীর ব্যবসায় প্রতিষ্টিত হন। মাওলানা এসহাকের জীবদ্দশায় বর্তমান পীর ( মাওলানা এসহাকের বড় ছেলে) ফজলুল করিমকে বেশী দেখা না গেলেও মৃত্যুর পর তিনিই (৩৬ বছর বয়সে) পীরের দরবার পরিচালনার দায়ীত্ব অনেকটা জোর করেই দখল করেন। ধীরে ধীরে তার পছন্দের অনুসারীদের রেখে বাকীদের বিতারিত করেন। প্রাতিষ্টানিক শিক্ষা বলতে কোন খোজ খবর না থাকলেও তিনি কওমি শিক্ষায় শিক্ষিত বলে দাবি করেন।
পীরানি মজবুত করতে চতুর ফজলুল করিম রাজণীতিক জীবনে প্রবেশ করেন এবং হাফেজ্জী হুজুরের খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মাধ্যমে। কিন্তু অল্প দিনেই নেতৃত্ব কেড়ে নেয়ার চেষ্টে টের পেয়ে হাফেজ্জী হুজুর খেলাফত আন্দোলন থেকে তাকে বহিস্কার করেন। পরে নিজেই ১৯৮৭ সালে ১৩ই মার্চ “ইসলামী শাষনতন্ত্র আন্দোলন” নামে একটি রাজনীতক দল গঠন করেন। রাজণীনৈতিক জীবনে প্রথমে জামাতে ইসলামী’র সাথে সখ্য গড়ে তুলেন এবং নেতৃত্বের দন্দ্বে ঠিকতে না পেরে নীরবেই কেটে পড়েন এবং‘ইসলামী ঐক্যজোটের” ব্যানারে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারান। আবার জামানত হারানোর ভয়ে ২০০১ সালে হুমূ এরশাদের সাথে লাঙ্গল নিয়ে নির্বাচন করে হালে পানি পাননি। তারপর ২০০৮ সালে হাসিনার শাড়ীর আচল আকড়িয়ে ধরেন। এখন ২০১৩ সালে কোথায় তার গন্তব্য অপেক্ষায় আছি।

রাজণীতিতে তেমন সাফল্য না পেলেও পীরানি ব্যবসায় তিনি সফল, বৈধ্য পয়সা আয়ের কোন পন্থা না থাকলেও তিনি গড়েছেন বিশাল সম্পত্তি,
রাজধানীর উলন রোডে ৫ কাঠা জায়গায় দূটি ৬তলা বাড়ী, হাজি আবু সাঈদের সঙ্গে রামপূরা সুপার মার্কেটের যৌথ মালিকানা, আমেরিকান এম্বাসির পুর্ব দিকে ণূরের চালায় কয়েকশ বিগা জমি ও ব নশ্রীতে ২টি বাড়ী ও কয়েকটি প্লটের মালিক তিনি। তাছাড়া নিজ এলাকা বরিশালের হাট খোলায় মার্কেট- আড়ত, চড়কাওয়া ও চড়মোণাইতে রয়েছে কয়েকশ বিগা জমি। কালীগঞ্জ বানুরি পাড়ায় সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান বিশ্বাসের বাড়ীর পাশে সৈয়দ ব্রিকফিল্ড সহ কয়েকটি ইটের ভাটা। এছাড়া ভোলা ও কুয়া কাটায় রয়েছে তার নামে বেনামে বিশাল সম্পত্তি।
ছবি আছে পোষ্ট ছোট রাখার স্বার্থে দেইনি।
১৯৯৯ সালে ঢাকার পল্টনে নোয়াখালী টাওয়ারের মালিক হাজ্বী দীন ইসলামের চাচাত ভাই ঊস্মান গনির সাথে যোগসাজশে জাল চুক্তির মাধ্যমে তৃতীয় তলার ৫০০০ স্কয়ার ফিটের ফ্লোর নিজ দলের লোকজন নিয়ে দখল নেন। এবং সেখানে ইসলামী শাষনতন্ত্র আন্দোলনের অফিস কাম নেতা কর্মী থাকার ব্যবস্তা হয়। এ নিয়ে হাজী দ্বীন ইসলামের হাইকোর্টের মামলা এখনো ঝুলে আছে।


এবার চোখ দেই পরিবারের দিকে, মাওলানা এসহাকের দ্বিতীয় স্ত্রী অর্থাত বর্ত্মান পীরের সৎ মা আমেনা বেগম এই পীরের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে বাবা’র বাড়ী নোয়াখালিতে ছিলেন মাওলানা জিবদ্দশাতেই, তাই মাওলানা এসহাক তার সাগরেদের মাধ্যমে ঢাকার গোপীবাগে বাড়ী কিনে দেন দ্বিতীয় পক্ষের সন্তানের নামে। ১৯৭৭ সালে সেই বাড়ীতে ঘর তৈরি করে বাস করতে গেলে বর্তমান পীর ফজলুল করিমের লোকজন ঊচ্ছেদের চেষ্টা করেন। এই নিয়ে ভুমি জরিপ অধিদপ্তর ঢাকায় ৩১ ধারায় সংশোধনী মামলা করেন যা এখনো চলছে। ঊল্টা মামলা করেন ফজলুল করিম পিতার মিথ্যা অসিয়ত নামে দেখিয়ে কিন্তু এই মামলা ১১৯৬ সালের ৪ সেপ্টেমবর খারিজ হয়ে গেলে মাওলানার লোকজন হত্যার হুমকি দেয়। এ বিষয়ে রাম্পূরা থানায় জিডি করা আছে। এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট সাপ্তাহিক ২০০০ ছাপা হয়ে ছিল, তার কিছু অংশ,